🌱পানপট্টি ইউনিয়নের কৃষি আবহাওয়া
শুক্রবার, 11 সেপ্টেম্বর 2026•২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
খরিফ-২ মৌসুম (বর্ষাকাল)
শ্রাবণ - কার্তিক (জুলাই - অক্টোবর)আমন ধানের চারা রোপণের প্রধান সময়। ভারী বৃষ্টিতে নিচু জমির পানি নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার রাখুন।
শুক্রবার, 11 সেপ্টেম্বর 2026•২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
আমন ধানের চারা রোপণের প্রধান সময়। ভারী বৃষ্টিতে নিচু জমির পানি নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার রাখুন।
এই ওয়েবসাইটটি কুকিজ ব্যবহার করে আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে। ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ নীতিতে সম্মত হন। গোপনীয়তা নীতি
পানপট্টি ইউনিয়ন এর কৃষি আবহাওয়া পরামর্শে স্বাগতম। বর্তমানে ৬ সেমি গভীরতায় মাটির তাপমাত্রা ২৮°C এবং আর্দ্রতা ৩৬%। আজকের পানির ভারসাম্য অনুযায়ী ০.৭ মিলিমিটার পানির ঘাটতি রয়েছে, যার অর্থ শিগগিরই বৃষ্টি না হলে সেচ দেওয়া প্রয়োজন। আগামী ৩ দিন সকালে স্প্রে করার অবস্থা সাধারণত খারাপ থাকবে। ⚠️ সতর্কতা: নিকটস্থ Kirtonkhola নদী বর্তমানে বিপজ্জনক মাত্রায় (বিপদসীমার ০.০০ মিটার উপরে) প্রবাহিত হচ্ছে। দয়া করে আপনার ফসলের জন্য দ্রুত সতর্কতা অবলম্বন করুন!
মাঠে কাজ করার সময় সতর্কতা ও বিশ্রাম নির্দেশিকা
প্রতি ৪৫ মিনিট কাজের পর ১৫ মিনিট ছায়ায় জিরিয়ে নিন। টুপি বা ছাতা ব্যবহার করুন।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৭৫০ মিলি থেকে ১ লিটার পানি পান করুন।
দুপুরের কড়া রোদ এড়িয়ে খুব সকালে বা বিকেলে মাঠে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হলো।
বাতাসের গতি ও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসভিত্তিক ২৪ ঘণ্টার ঘড়ি চাকা — লাল, হলুদ ও সবুজ কালার কোডিং
বায়ুর গতিবেগ কম এবং বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। কীটনাশক প্রয়োগের আদর্শ সময়।
প্রভাব ও পরামর্শ:মাটির আর্দ্রতা ফসলের বৃদ্ধির জন্য আদর্শ। অতিরিক্ত সেচের প্রয়োজন নেই।
আজকের পানির ব্যালেন্স
বৃষ্টিপাত (বার) এবং মাটির বাষ্পীভবন (লাইন) তুলনা করে সেচ পরিকল্পনা করুন
আগামী ৭ দিনে পানির সামগ্রিক উদ্বৃত্ত ৫৭.৫ মিলিমিটার। নিচু জমিতে নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার রাখুন।
পানপট্টি ইউনিয়ন এর আগামী ৭ দিনের বিস্তারিত কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস, যেখানে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রার ওঠানামা এবং সেচ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় দৈনিক বাষ্পীভবন (ET₀) এর তথ্য দেওয়া হয়েছে।
পানপট্টি ইউনিয়ন এর জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত মৌসুমী ফসলের সুপারিশ এবং আবহাওয়া-ভিত্তিক সতর্কতা, যা ফলন বাড়াতে এবং জলবায়ু-জনিত ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করবে।
| ৩০°/২৭° |
১২.৫h |
৩.৭ mm |
সোম, 7 সেপ্ট | ১৪.৭ mm | ৩০°/২৬° | ১২.৪h | ৩.৫ mm |
মঙ্গল, 8 সেপ্ট | ২১.৩ mm | ২৯°/২৫° | ১২.৪h | ২.৭ mm |
বুধ, 9 সেপ্ট | ১৬.২ mm | ৩০°/২৫° | ১২.৪h | ৩.৭ mm |
বৃহ, 10 সেপ্ট | ৭.২ mm | ৩১°/২৭° | ১২.৪h | ৪.১ mm |
শুক্র, 11 সেপ্ট | ৭.২ mm | ২৯°/২৭° | ১২.৪h | ৩.৭ mm |
বৃষ্টির পর কাণ্ড পচা রোগ ও ফ্লি বিটল পোকা দেখা যায়। বেডে পানি আটকে থাকতে দেবেন না।
২০ সেমি সারির দূরত্বে বা ছিটিয়ে ডাঁটাশাকের বীজ রোপণ করুন (একর প্রতি ২ কেজি)। কচি ডাঁটার জন্য আর্দ্রতা রাখুন।
একর প্রতি: ইউরিয়া ৫০ কেজি, টিএসপি ৩৫ কেজি, এমপি ৩০ কেজি ও গোবর ২ টন। চারা গজানোর ১২ দিন পর ইউরিয়া দিন।
শরতে আমলকির মরিচা রোগ ও পাতা মোড়ানো পোকা দেখা দেয়। পাতায় দাগ দেখলে ম্যানকোজেব প্রয়োগ করুন।
৬মি x ৬মি দূরত্বে ৭৫ সেমি গর্তে আমলকি চারা রোপণ করুন। খরা সহনশীল হলেও পানি নিকাশ ভালো রাখুন।
গাছ প্রতি: ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৩৫০ গ্রাম ও এমপি ৪৫০ গ্রাম বর্ষার আগে মে মাসে প্রয়োগ করুন।
বর্ষায় ডাউনি মিলডিউ ও ফল মাছি পোকার আক্রমণ বাড়ে। মাচা উঁচু রেখে মাটির ভেজা স্পর্শ থেকে ফল দূরে রাখুন।
২মি x ১.৫মি দূরত্বে ৫০ সেমি গর্তে চালকুমড়ার বীজ রোপণ করুন। ফলের পচন রোধে মাচা বা মাটিতে খড় বিছিয়ে দিন।
একর প্রতি: ইউরিয়া ৭৫ কেজি, টিএসপি ৬০ কেজি, এমপি ৫০ কেজি ও জৈব সার ৩ টন। ফল জালি হওয়ার পর ইউরিয়া দিন।
বর্ষায় সিগাতোকা পাতার দাগ ও পানামা ঢলে পড়া রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত পাতা কেটে পুড়িয়ে ফেলুন।
১.৫-২ কেজি ওজনের তলোয়ার চারা ২মি x ২মি দূরত্বে ৬০ সেমি গর্তে রোপণ করুন। বাড়তির চারা নিয়মিত ছাঁটাই করুন।
গাছ প্রতি: ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ২৫০ গ্রাম ও এমপি ৬০০ গ্রাম ৫-৬ কিস্তিতে বৃদ্ধি পর্যায়গুলোতে প্রয়োগ করুন।
উচ্চ আর্দ্রতায় পুঁইশাকে সারকোস্পোরা পাতার দাগ (লালচে বেগুনি দাগ) পড়ে। আক্রান্ত নিচের পাতা তুলে ফেলুন।
১মি x ৫০ সেমি দূরত্বে পুঁইশাকের বীজ বা লতার কাটিং রোপণ করুন। মোটা ও রসালো পাতার জন্য বাঁশের খুঁটি দিন।
একর প্রতি: ইউরিয়া ৮০ কেজি, টিএসপি ৪৫ কেজি, এমপি ৪০ কেজি ও গোবর ৩ টন। ডাঁটা কাটার পর পর ইউরিয়া দিন।
আর্দ্র ছায়ায় তেজপাতায় খসখসে স্কেল পোকা ও পাতার দাগ বাড়ে। ডালপালা ছাঁটাই করে আলো ঢুকতে দিন।
৪মি x ৪মি দূরত্বে ৬০ সেমি গর্তে তেজপাতা চারা রোপণ করুন। সুনিষ্কাশিত ও হালকা ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দ করে।
গাছ প্রতি: ইউরিয়া ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ২০০ গ্রাম, এমপি ২৫০ গ্রাম ও গোবর ৮ কেজি বার্ষিক পাতা তোলার পর দিন।